এসটিএফ এর জালে আরও এক পাক গুপ্তচর, গ্রেপ্তার রিষড়া থেকে

stf news1 1

 

আজ  খবর (বাংলা), [রাজ্য] ৰিষরঃ, হুগলী, ১৯/০৮/২০২৬ : রিষড়ায় এসটিএফের অভিযান, পাকিস্তানি নাগরিক ওয়াহাব আলমের তৃতীয় স্থানীয় সহযোগী গ্রেফতার

হুগলির রিষড়ায় অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানি নাগরিক ওয়াহাব আলমের কথিত আইএসআই-যোগ মামলায় তৃতীয় স্থানীয় সহযোগীকে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ধৃতের নাম জাফর শামস ওরফে সানি। বুধবার রিষড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
vivekananda computer 2
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব কলকাতার টপসিয়ার বাসিন্দা সানি ওয়াহাব আলম গ্রেফতারের পর থেকেই পলাতক ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, ওয়াহাব আলমের কথিত গোপন নেটওয়ার্কে সানির ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইএসআই-এর সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
Mind Junction 2
এর আগে এই মামলায় ওয়াহাব আলমের দুই সহযোগী মহম্মদ ইজাজ এবং ইমরান হুসেনকে টপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, ২০১২ সালে নেপাল হয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা ওয়াহাব আলমকে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে সাহায্য করেছিলেন ইজাজ।
Dr. B Monal Ad 4
এসটিএফ জানিয়েছে, ওয়াহাব আলম, ইজাজ এবং ইমরানকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সানির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরেই রিষড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যদিকে, ১৪ আগস্ট কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে আরও তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নাম রশিদুল হক, নূর নাসিরুদ্দিন আলি এবং শফিকুল ইসলাম। তারা ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-ও এই মামলার তদন্তে আগ্রহ দেখিয়েছে। এসটিএফের তদন্তে ওয়াহাব আলমের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর কথিত যোগাযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর এনআইএ তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে। প্রয়োজনে ওয়াহাব আলম, ইজাজ, ইমরান এবং অন্যান্য ধৃতদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে এনআইএ। মামলার তদন্ত এখনও চলছে।
boro
Advt. Boroline  100 Gm. @ Rs. 40/- [Click on the image]
Share this news article