রাজ্যে নথি জালিয়াতি থেকে প্রশাসনিক হুমকি—তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণে দিলীপ ঘোষ

রাজ্যে নথি জালিয়াতি থেকে প্রশাসনিক হুমকি—তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণে দিলীপ ঘোষ

SIR-এ ‘আজব’ সার্টিফিকেট, মাইক্রো অবজার্ভারদের হুমকি, কাঁকুলিয়া কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতা—রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় তুলোধোনা বিজেপি নেতার

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০২/২০২৬ :  আজ সকালে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে সমালোচনার সাথে সাথে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

এসআইআর প্রসঙ্গে —

SIR এ আজব নথির নজির বঙ্গে। বাবা মায়ের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে এবার মাথা মুণ্ডহীন ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট জমা SIR- এর নথি হিসাবে। কোথাও জন্মের আগেই বার্থ সার্টিফিকেট, কোথাও ভ্রান্ত ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। যেকোনো উপায়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে এইসব আজব নথির নিদান দিচ্ছে কারা?

মাইক্রো অবজার্ভার  প্রসঙ্গে  —

সুপ্রিম নির্দেশের পরও হুমকির মুখে মাইক্রো অবজার্ভাররা। হুমকি দিচ্ছেন খোদ বিডিও (ভাঙড়),এসডিও (বারুইপুর) দের মতন সরকারি আধিকারিকরা। বাদ নেই তৃণমূলের পূর্ত কর্মাদক্ষ শাজাহান মোল্লা। শাসকের কাছে ‘বিতর্কিত’ মাইক্রো অবজার্ভারদের শায়েস্তা করতে এবার থ্রেট কালচারের প্রত্যাবর্তন?

কাঁকুলিয়া কাণ্ড  প্রসঙ্গে —

কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?

নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে — 

৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?

পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —

বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?

পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —

পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না?  নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?

রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —

জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?

 

Share this news article