গুজরাতিদের অসম্মান মহুয়ার, ক্ষমা চাইলেন মমতা

গুজরাতিদের অসম্মান মহুয়ার, ক্ষমা চাইলেন মমতা

ড্যামেজ কন্ট্রোলে তৃণমূল কংগ্রেস 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৪/২০২৬ :  গুজরাতিদের অসম্মান করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।  ক্ষমা চাইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তৃণমূল কংগ্রেসের।

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রায়ই বেলাগাম হয়ে যান এবং নানারকম মন্তব্য করেন। ভোটের আগে তাঁর একটি মন্তব্য নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, “দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যেখানে বাঙালিরা সর্বোচ্য অবদান রেখেছেন, সেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনো গুজরাতিদের অবদান কোথায় ? কালাপানির তালিকায় গুজরাটিরা আছেন কি ? ”  মহুয়ার এই মন্তব্যের জেরে রীতিমত ব্যাকফুটে তৃণমূল নেতৃত্ব।

কলকাতার ভবানীপুর আসনে লড়াই করছেন দলের সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ঐ  আসনেই তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে লড়াই করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সকলের নজর  রয়েছে এই আসনে। ভবানীপুর আসনে ৭০ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে গুজরাতিদের সংখ্যা প্রায় ৪০% সুতরাং মহুয়ার মন্তব্যে প্রবল অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।

গুজরাতিরা যাতে অসম্মানিত না হন, তার জন্যে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে তৃণমূল। ৭০ নম্বর  ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসু গতকাল রাতে ফেসবুক লাইভ করে বার্তা দিয়েছেন যে মহুয়ার বক্তব্য তাঁর একান্ত ও ব্যক্তিগত বক্তব্য। এই বক্তব্য তৃণমূলের নয়. দলের সর্বোচ্য নেত্রী এই বক্তব্যকে কনডেম  করছেন এবং গুজরাতিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন।

অসীম বসু বলেছেন, “কৃষ্ণনগরের সংসদ গুজরাতিদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তা অনভিপ্রেত। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক গুজরাটি নাম পাওয়া যায়. মহাত্মা গান্ধী নিজেই গুজরাটি ছিলেন, দেশের আয়রন ম্যান নামে খ্যাত সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল ছিলেন গুজরাটি।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাটি। দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও একজন গুজরাটি।


Share this news article