শুনানিতে ডাক পেয়ে সপরিবারে লাইনে এসে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী

eci-hearing-news

“তিনবারের বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও শুনানিতে ডাক দেওয়া হয়েছে” 

 আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদা, ২৯/০১/২০২৬ : নির্বাচন কমিশনের পাঠানো হেয়ারিংয়ের নোটিস হাতে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেন

আজ নির্ধারিত শুনানির দিনে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যকেও একইভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয়। জানা গিয়েছে,গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে SIR সংক্রান্ত হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন। তাজমুল হোসেন মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বাংরুয়া গ্রামে। তিনি ২০২ নম্বর বুথের ভোটার, বুথ কেন্দ্র বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাঁর বাবার নাম দিদার বক্স।

মন্ত্রীর দাবি, ২০০২ সাল থেকেই তাঁর নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিপত্রে একই রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী।

আজ শুনানি কেন্দ্রে হাজির হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাজমুল হোসেন বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই নোটিস পেয়ে নির্ধারিত দিনেই শুনানিতে হাজির হয়েছি। আমার ও আমার পরিবারের সব নথি সঠিক আছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।”

উল্লেখ্য,তিনবারের বিধায়ক ও বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও এই নোটিসের পিছনের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 
Aaj Khabor Desk, Harishchandrapur, Malda, 29/01/2026 :  West Bengal minister and Harishchandrapur MLA Tajmul Hossain appeared at a hearing center in Malda after receiving a notice from the Election Commission regarding an SIR-related hearing. On the scheduled day, he was seen standing in a queue for a long time along with several members of his family. The notice was issued on January 18, prompting his appearance. A three-time elected MLA, Hossain claimed that his name and his father’s details have remained unchanged in all official records since 2002 and were verified during previous elections. He alleged a conspiracy behind the notice and expressed dissatisfaction with the Election Commission’s role. However, he stated that he respects the law and is confident that the truth will emerge after document verification.
Share this news article